গোপনীয়তা নীতি
চাঁদাবাজ একটি সচেতনতামূলক প্ল্যাটফর্ম। আমাদের লক্ষ্য হলো ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করে সামগ্রিক প্রবণতা (Pattern) তুলে ধরা। আমরা ব্যবহারকারীদের পরিচয় জানার চেষ্টা করি না।
এক নজরে
- নাম, ফোন নম্বর, ইমেইল বা ছবি লাগে না।
- রিপোর্টের সাথে আপনার আইপি ঠিকানা রাখার ব্যবস্থা নেই।
- শুধু উপজেলা বা থানা পর্যন্ত জানতে চাওয়া হয়, সঠিক ঠিকানা নয়।
- প্রকাশের আগে প্রতিটি রিপোর্ট মডারেশনে দেখা হয়।
- সব রিপোর্ট অযাচাইকৃত। অভিযোগ মানেই দোষী প্রমাণিত নয়।
আমরা কী তথ্য সংগ্রহ করি
- খাত ও কতবার চাওয়া হয়েছেদোকান, পরিবহন, নির্মাণ ইত্যাদি কোন খাতে বেশি ঘটছে বোঝার জন্য।
- বিভাগ, জেলা, উপজেলা বা থানাএলাকাভিত্তিক প্রবণতা দেখাতে। সঠিক ঠিকানা নেওয়া হয় না।
- এলাকা (ঐচ্ছিক)ওয়ার্ড বা মহল্লার নাম। দিলে রিপোর্টে দেখা যায়, না দিলেও চলে।
- দাবিকৃত টাকার পরিমাণগড় ও সীমা দেখানোর জন্য।
- আপনার নির্বাচিত ফলাফলদিয়েছি, দিইনি, নাকি হুমকি পেয়েছেন।
- সংক্ষিপ্ত বিবরণ (ঐচ্ছিক)সর্বোচ্চ ৩০০ অক্ষর। মডারেশনের পর প্রকাশ হয়।
আমরা কী সংগ্রহ করি না
- নাম
- ইমেইল ঠিকানা
- ফোন নম্বর
- জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর
- ছবি
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য
- ব্যক্তিগত ঠিকানা
আইপি ঠিকানা সম্পর্কে
আমাদের সিস্টেম রিপোর্টের সাথে ব্যবহারকারীর আইপি ঠিকানা সংরক্ষণ করার জন্য ডিজাইন করা নয়। তবে স্প্যাম প্রতিরোধে হ্যাশ করা আইপি (pepper দিয়ে) ২৪ ঘণ্টার জন্য রেট-লিমিট টেবিলে থাকতে পারে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়। ওয়েবসাইট পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হোস্টিং, CDN বা নিরাপত্তা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে নেটওয়ার্ক লগ প্রক্রিয়া করতে পারে। এসব তথ্য আমাদের রিপোর্ট ডেটাবেজের অংশ নয়।
রিপোর্ট জমার পর কী হয়
- ১
আপনি জমা দেন
ফর্মে যা চাওয়া হয়েছে তার বাইরে কিছু নেওয়া হয় না। লেখায় ফোন নম্বর থাকলে ফর্মই জমা নেয় না।
- ২
মডারেশন
প্রকাশের আগে ব্যক্তির নাম, ব্যক্তিগত তথ্য ও গালাগালি বাদ দেওয়া হয়। নাম থাকলে রিপোর্ট প্রকাশ হয় না।
- ৩
কিছুটা দেরিতে প্রকাশ
সময় মিলিয়ে কাউকে শনাক্ত করা ঠেকাতে রিপোর্ট সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ হয় না।
- ৪
পরিসংখ্যানে যোগ
অনুমোদিত রিপোর্ট বিভাগ, পরিমাণ ও ফলাফল অনুযায়ী ড্যাশবোর্ডে যুক্ত হয়। কোনো বিভাগে ৩টির কম রিপোর্ট থাকলে সেখানে সংখ্যা দেখানো হয় না।
তথ্য কীভাবে ব্যবহার করা হয়
- পরিসংখ্যান তৈরিতে
- ড্যাশবোর্ডে প্রবণতা দেখাতে
- গবেষণা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে
- জনস্বার্থে সমষ্টিগত তথ্য প্রকাশে
কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়
শুধুমাত্র অনুমোদিত ও মডারেট করা রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। কোনো ব্যক্তির পরিচয়, যোগাযোগের তথ্য অথবা শনাক্তযোগ্য তথ্য প্রকাশ করা হয় না।
রিপোর্ট মুছে ফেলা
কোনো রিপোর্টে ব্যক্তিগত তথ্য, মানহানিকর বক্তব্য, হুমকি, গালাগালি অথবা আইনবিরোধী বিষয়বস্তু পাওয়া গেলে তা সম্পাদনা, প্রত্যাখ্যান বা মুছে ফেলা হতে পারে।
ব্রাউজার ও তৃতীয় পক্ষের সেবা
আপনার ব্রাউজারে: "নিশ্চিত করুন" বাটনে চাপলে একই রিপোর্ট বারবার নিশ্চিত করা ঠেকাতে আপনার ডিভাইসের ব্রাউজারে একটা চিহ্ন থাকে। এটা শুধু আপনার ডিভাইসেই থাকে, ব্রাউজারের ডেটা মুছলে চলে যায়।
তৃতীয় পক্ষের সেবা: পাতা খুললে আপনার ব্রাউজার ফন্ট ও আইকনের জন্য Google Fonts, cdnjs (Font Awesome) এবং Tailwind CDN-এর সার্ভারে সংযোগ করে। এই সংযোগের তথ্য ওই সেবাদাতাদের কাছে থাকে, আমাদের রিপোর্ট ডেটাবেজে যায় না।
নিজেকে নিরাপদ রাখতে
- কারও নাম, ফোন নম্বর, দোকান বা দলের নাম, সঠিক ঠিকানা লিখবেন না।
- শুধু আপনি জানেন এমন খুঁটিনাটি (নির্দিষ্ট সময়, বিশেষ ঘটনা) এড়িয়ে যান। এতে কেউ আন্দাজ করতে পারে।
- বাড়তি সুরক্ষা চাইলে অন্য নেটওয়ার্ক থেকে জমা দিন।
- অন্যের বা শেয়ার করা ডিভাইস হলে জমা দেওয়ার পর ব্রাউজারের ডেটা মুছে দিন।
- জীবনের ঝুঁকি থাকলে এখানে লিখে বসে না থেকে ৯৯৯-এ ফোন করুন।
গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
এই সাইটে প্রকাশিত সব তথ্য ব্যবহারকারীদের জমা দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে। সব রিপোর্ট স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয় না। কোনো রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়া মানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন নয়।
সাধারণ প্রশ্ন
আমার রিপোর্ট কি সত্যিই বেনামী?
সাইট কোনো নাম, ইমেইল, ফোন নম্বর বা অ্যাকাউন্ট চায় না। তবে হোস্টিং সেবাদাতারা নেটওয়ার্ক ডেটা প্রক্রিয়া করতে পারে।
আমি কি কারও নাম লিখতে পারব?
না। নাম থাকলে রিপোর্ট প্রকাশ হবে না। এতে আপনি ও সাইট দুজনেই ঝুঁকি থেকে বাঁচে।
কেউ কি বুঝে ফেলতে পারে রিপোর্টটা আমার?
সাইট আপনার পরিচয় রাখে না। তবে বিবরণে শুধু আপনি জানেন এমন কিছু লিখলে কেউ আন্দাজ করতে পারে। তাই বিবরণ সাধারণ রাখুন।
বিভাগের পাশে "কম তথ্য" লেখা কেন?
গোপনীয়তার জন্য কোনো বিভাগে ৩টির কম রিপোর্ট থাকলে সংখ্যা দেখানো হয় না, যাতে ছোট সংখ্যা থেকে কাউকে চেনা না যায়।
এটা কি সরকারি অভিযোগ?
না। এটি সচেতনতামূলক খাতা। আইনি ব্যবস্থা চাইলে থানা বা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করুন।
নীতিমালা পরিবর্তন
প্রয়োজন অনুযায়ী এই গোপনীয়তা নীতি পরিবর্তন বা হালনাগাদ করা হতে পারে।