সর্বোচ্চ দাবির একটি
ঠিকাদারি
হুমকি পেয়েছি৳৫০,০০০ একবার
রংপুর সিটি কর্পোরেশন, রংপুর, রংপুর বিভাগ · ২৫/০৯/২০২৬
চাঁদা না দেওয়ায় কলেজ গেট নির্মাণ কাজ আটকে দেয় একটি দলের লোকজন
৪ জন নিশ্চিত করেছেন
নাম লাগবে না। শুধু বলুন কোথায়, কত টাকা, আর শেষে কী হলো। অনেকগুলো রিপোর্ট মিলে একটা প্যাটার্ন দেখায়।
মোট রিপোর্ট
৮
মোট দাবি
৳১০৮,২০০
গড় দাবি
৳১৩,৫২৫
সর্বোচ্চ দাবি
৳৫০,০০০
সবচেয়ে বেশি টাকা দাবির ৩টি আর সবচেয়ে বেশি মানুষ নিশ্চিত করেছেন এমন ৩টি রিপোর্ট। প্রতিটি এন্ট্রি একজনের নিজের দেওয়া তথ্য, স্বাধীনভাবে যাচাই করা নয়।
সর্বোচ্চ দাবির একটি
ঠিকাদারি
হুমকি পেয়েছি৳৫০,০০০ একবার
রংপুর সিটি কর্পোরেশন, রংপুর, রংপুর বিভাগ · ২৫/০৯/২০২৬
চাঁদা না দেওয়ায় কলেজ গেট নির্মাণ কাজ আটকে দেয় একটি দলের লোকজন
৪ জন নিশ্চিত করেছেন
সর্বোচ্চ দাবির একটি
ঠিকাদারি
হুমকি পেয়েছি৳২৫,০০০ একবার
সিলেট সদর, সিলেট, সিলেট বিভাগ · ১৭/০৯/২০২৬
সরকারি কাজের বিলের একটা অংশ দাবি করা হয়েছে, না দিলে কাজ আটকে দেওয়ার হুমকি।
৩০ জন নিশ্চিত করেছেন
সর্বোচ্চ দাবির একটি
নির্মাণ
দিইনি৳১৫,০০০ একবার
বগুড়া সদর, বগুড়া, রাজশাহী বিভাগ · ১৫/০৯/২০২৬
বাড়ি তৈরির শুরুতে টাকা চাওয়া হয়েছিল, দিইনি বলে কাজ বন্ধ করার চেষ্টা হয়েছে।
১২ জন নিশ্চিত করেছেন
সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত
উৎসব
হুমকি পেয়েছি৳৮,০০০ উৎসব/মৌসুমে
ত্রিশাল, ময়মনসিংহ, ময়মনসিংহ বিভাগ · ১০/০৯/২০২৬
পূজার আগে চাঁদা না দিলে প্যান্ডেলে সমস্যা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
২০ জন নিশ্চিত করেছেন
সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত
স্কুল
দিইনি৳২,০০০ একবার
বরিশাল সদর, বরিশাল, বরিশাল বিভাগ · ১২/০৯/২০২৬
ভর্তির সময় অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়েছিল, দিইনি।
১৫ জন নিশ্চিত করেছেন
সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত
দোকান
দিয়েছি৳৫,০০০ প্রতি মাসে
সাভার, ঢাকা, ঢাকা বিভাগ · ২০/০৯/২০২৬
দোকান খোলার পর থেকে প্রতি মাসে টাকা দিতে হয়, না দিলে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয়।
৮ জন নিশ্চিত করেছেন
একটা বড় অঙ্কে ভুলবেন না। কতগুলো রিপোর্ট কোন সীমায়, কোন বিভাগে আর কী ফল হলো, সেটা দেখুন। এখানে সব সময়ের রিপোর্ট ধরা হয়েছে।
মাস বা বছর অনুযায়ী দেখুনগোপনীয়তার জন্য ৩টির কম রিপোর্ট থাকলে সংখ্যা দেখানো হয় না।
১
ক্যাটাগরি, বিভাগ, টাকার অঙ্ক আর ফলাফল বেছে নিন। কোনো ব্যক্তির নাম লিখবেন না।
২
প্রকাশের আগে ব্যক্তিগত তথ্য ও গালাগালি বাদ দেওয়া হয়।
৩
অনুমোদিত রিপোর্ট বিভাগ, পরিমাণ ও ফলাফল অনুযায়ী দেখা যায়।
ব্যক্তি, দোকান বা দলের নাম ও ছবি জমা নেওয়া হয় না।
সঠিক ঠিকানা চাওয়া হয় না, যাতে আপনাকে চেনা না যায়।
সময় মিলিয়ে শনাক্ত ঠেকাতে রিপোর্ট কিছুটা দেরিতে প্রকাশ হয়।
জীবনের ঝুঁকি থাকলে এখানে লিখে বসে থাকবেন না, ৯৯৯-এ ফোন করুন।
সাইট কোনো নাম, ইমেইল, ফোন নম্বর বা অ্যাকাউন্ট চায় না। তবে হোস্টিং সেবাদাতারা নেটওয়ার্ক ডেটা প্রক্রিয়া করতে পারে। বাড়তি সুরক্ষা চাইলে অন্য নেটওয়ার্ক থেকে জমা দিন।
না। নাম থাকলে রিপোর্ট প্রকাশ হবে না। এতে আপনি ও সাইট দুজনেই ঝুঁকি থেকে বাঁচে।
না। এটি সচেতনতামূলক খাতা। আইনি ব্যবস্থা চাইলে থানা বা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করুন।